বৃহস্পতিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০১৯

নুসরাত হত্যায় ফাঁ’সির দণ্ডপ্রাপ্ত মনির নবজাতকের কী হবে

ফেনীর মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফি হ’ত্যা মা’মলায় সোনাগাজী ইস’লামিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সিরাজউদ্দৌলাসহ ১৬ আ’সামিরই ফাঁ’সির আদেশ দিয়েছেন আ’দালত।একইসঙ্গে আ’সামিদের প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। এই টাকা আদায় করে নুসরাতের পরিবারকে দেয়ার আদেশ দিয়েছেন আ’দালত।বৃহস্পতিবার ফেনীর নারী ও শি’শু নি’র্যাতন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মামুনুর রশিদ এ রায় ঘোষণা করেন। দ’ণ্ডপ্রাপ্ত আ’সামিদের মধ্যে অন্যতম নুসরাতের সহপাঠী কাম’রুন নাহার মনি। হ’ত্যাকা’ণ্ডের পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের সঙ্গে সরাসরি জ’ড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়ায় তার সর্বোচ্চ সাজা হয়েছে। অন্তঃসত্ত্বা থাকায় অবস্থায়ই কিলিং মিশনে অংশ নেন তিনি। কা’রারু’দ্ধ মনি গত ২১ অক্টোবর জন্ম দেন কন্যাসন্তানের। এখন তার সন্তানের ভবিষ্যত নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট শাহ’জাহান সাজু বলেন, মাননীয় নারী ও শি’শু নি’র্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল যে রায় দিয়েছেন সে রায়টি কার্যকর হতে আরও দীর্ঘ সময় লাগবে। কারণ আ’সামিরা হাইকোর্টে আপিল করবেন, পেপারবুক তৈরি হবে এবং এটা আপিল বিভাগে যাবে। প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে ফুল কোর্টে শুনানি হবে।
এরপর আ’সামিরা রাষ্ট্রপতির কাছে প্রা*ণভিক্ষা চাইতে পারেন। এ প্রক্রিয়াটি আরও অনেক সময় লাগবে। কয়েক বছর লাগতে পারে। এ সময়ের মধ্যে কাম’রুন নাহার মনির বাচ্চা বড় হয়ে যাবে। বাচ্চা তার পিতার জিম্মায় চলে যেতে পারবে। এবং কাম’রুন নাহার মনির শা’স্তি কার্যকর হতে পারবে, বলেন তিনি। তবে, এলাকাবাসী বলছেন, উচ্চ আ’দালতে মনির দ’ণ্ড লাঘব হলেও এ শি’শুটি ভবিষ্যতে মাতৃস্নেহ থেকে বঞ্চিত হবেন। কারণ এ হ’ত্যা মিশনে কাম’রুন নাহার মনির যে ন্যাক্কারজনক ভূমিকা পালন করেছেন তার সা’জা তাকে ভোগ করতেই হবে। অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় কী’ভাবে তিনি সহপাঠীকে হ’ত্যার মতো ঘৃণ্যকা’ণ্ডে তিনি যুক্ত হলেন সেটি নিয়ে হতবিহ্বল তারা

SHARE THIS

Author:

DainikSavar.Com

0 Please Share a Your Opinion.: